![]()
কানাডার অটোয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনে গতকাল শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে। দিবসের কর্মসূচির অংশ হিসেবে কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. জসীম উদ্দিন বাংলাদেশ হাউজে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণের মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা করেন। এরপর হাইকমিশনার ও হাইকমিশনের অন্যান্য সদস্যবৃন্দের অংশগ্রহণে ভাষা শহিদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। হাইকমিশনের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত আলোচনা সভায় দূতাবাসের কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং কানাডাস্থ বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে হাইকমিশনার ভাষা শহিদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
হাইকমিশনার তাঁর বক্তব্যে ভাষা আন্দোলনের সকল শহিদ এবং ৭১-এর মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ ও ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি উল্লেখ করেন, রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলার অধিকার রক্ষা কেবল একটি সাংস্কৃতিক দাবি ছিল না, বরং এটি ছিল একটি রাজনৈতিক জাগরণের সূচনা, যা শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করেছে। ইউনেস্কো কর্তৃক এই দিনের স্বীকৃতি প্রমাণ করে যে ভাষার অধিকার একটি মৌলিক মানবাধিকার। হাইকমিশনার বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিরা জাতির অবিচ্ছেদ্য অংশ, তাঁরা বিদেশের মাটিতে দেশিয় ঐতিহ্য লালন এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সাথে শেকড়ের সেতুবন্ধন তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।
১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের কথা উল্লেখ করে হাইকমিশনার গণতান্ত্রিক পুনর্গঠন, সুশাসন এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন, যেখানে সকল ভাষা ও সংস্কৃতির সুরক্ষা নিশ্চিত হবে।
বাংলাদেশ সময়: ১৪:১৫:১২ ৯ বার পঠিত