পল্লী বিদ্যুতের এজিএমের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ গ্রাহকের

প্রথম পাতা » ছবি গ্যালারী » পল্লী বিদ্যুতের এজিএমের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ গ্রাহকের
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬



পল্লী বিদ্যুতের এজিএমের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ গ্রাহকের

সদরপুর (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় পল্লী বিদ্যুতের সাব-জোনাল অফিসের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে সাড়ে তিন লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি ভুক্তভোগী মো. রবিউল ইসলাম সাংবাদিকদের কাছে এ বিষয়ে অভিযোগ জানিয়েছেন।

অভিযোগে ভুক্তভোগী জানান, একটি ইটবোঝাই ট্রাকের সঙ্গে ধাক্কা লেগে তার বাড়ির বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে আগুন ধরে যায়। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে তিনি পল্লী বিদ্যুতের সাব-জোনাল অফিসে অবহিত করেন। পরে অফিসের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে এসে দাবি করেন, তারটি ট্রাকে ছেঁড়া নয়; বরং মিটারের অন্য পাশ থেকে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করনে এমনটি হয়েছে। এ অভিযোগে ভুক্তভোগীর মিটারসহ তার ভাই নজরুল ইসলামের আরও তিনটি মিটার জব্দ করে নিয়ে যায় কর্তৃপক্ষ।

পরবর্তীতে বিষয়টি সমাধানের জন্য ভুক্তভোগী সদরপুর পল্লী বিদ্যুৎ সাব-জোনাল অফিসে গেলে সহকারী জেনারেল ম্যানেজার শহিদুল ইসলাম প্রথমে মামলা ও জেলের ভয় দেখান। পরে মামলা থেকে রেহাই পেতে জরিমানা দেওয়ার প্রস্তাব দেন। অভিযোগ অনুযায়ী, চারটি মিটারে পুনঃসংযোগ দেওয়ার জন্য প্রথমে ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা দাবি করা হয়। পরে স্থানীয় শফি নামের এক ব্যক্তির মাধ্যমে যোগাযোগ করলে দাবিকৃত অর্থ কমিয়ে ৫ লাখ টাকায় নামিয়ে আনা হয়। সর্বশেষ ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকায় বিষয়টি নিষ্পত্তি হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এরপর ভুক্তভোগীর পরিবার ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা পরিশোধ করে চারটি মিটারের সংযোগ পুনরায় চালু করে। তবে টাকা দেওয়ার পরও কোনো রশিদ দেওয়া হয়নি। ভুক্তভোগীকে জানানো হয়, ১ লাখ ৫০ হাজার টাকার রশিদ দেওয়া হবে, কিন্তু বাকি টাকার কোনো হিসাব থাকবে না। পরবর্তীতে তাকে একটি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করানো হয়, যেখানে মাত্র ১ লাখ ২ হাজার টাকা লেনদেনের কথা উল্লেখ ছিল। এ বিষয়ে প্রশ্ন তুললে তাকে হুমকি দেওয়া হয় এবং পুনরায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার আশঙ্কা দেখানো হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

ভুক্তভোগী আরও অভিযোগ করেন, এর আগে নতুন খুঁটি স্থাপন ও মিটার সংযোগের জন্য তার কাছ থেকে ২৫ হাজার টাকা দাবি করে ২২ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছিল।

এ বিষয়ে সহকারী জেনারেল ম্যানেজার শহিদুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি ১ লাখ ২ হাজার টাকা জরিমানার মাধ্যমে সমাধান হয়েছে। ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা অফিস নেয়নি। ওই ব্যক্তি কাকে টাকা দিয়েছেন, তা আমাদের জানা নেই।

স্থানীয় মধ্যস্থতাকারী মো. শফিও অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার মাধ্যমে কোনো টাকা লেনদেন হয়নি। বিষয়টি সম্পর্কে আমি কিছু জানি না।

এদিকে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ অফিসে দীর্ঘদিন ধরে দালাল চক্র সক্রিয় রয়েছে। নতুন খুঁটি স্থাপন, মিটার পরিবর্তন ও নতুন সংযোগের নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায় এবং বিভিন্নভাবে হয়রানির অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে দ্রুত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

বাংলাদেশ সময়: ২৩:৩৫:১০   ৮ বার পঠিত  




পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)

ছবি গ্যালারী’র আরও খবর


আল কোরআন ও আল হাদিস
কর্মকর্তাদের নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান ডিসির
চাষাঢ়া হকার্স মার্কেট ভেঙে প্রকৃত হকারদের পুনর্বাসনের ঘোষণা নাসিক প্রশাসকের
জাতীয় সংসদকে ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না : প্রধানমন্ত্রী
স্পীকারের সভাপতিত্বে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন সমাপ্ত
সংবিধান আমাদের আবেগ ও লাখ শহীদের রক্তের সঙ্গে জড়িত : মির্জা ফখরুল
বোয়িংয়ের ১৪ উড়োজাহাজ কিনতে চুক্তি সই
মালয়েশিয়া থেকে ২৬ হাজার ৫০০ টন অকটেন নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে জাহাজ
নিজের প্রাক্তন কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বিনিময়
​সরিষাবাড়ীতে স্কুলে ঢুকে শিক্ষিকাকে লাঞ্ছিত ও প্রাণনাশের হুমকি, থানায় অভিযোগ

News 2 Narayanganj News Archive

আর্কাইভ