![]()
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মোঃ আসাদুজ্জামান বলেছেন, গুমের সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে যথাযথ আইন প্রণয়ন করা হবে। তিনি বলেন, এখানে অনেক বিষয় চিন্তা ভাবনা করার ব্যাপার রয়েছে। হুট করে এমন কোনো আইন প্রণয়ন করা ঠিক হবে না যেটা অপরাধীকে শাস্তি দেওয়ার বদলে লাভবান করবে।
আজ রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এবং গুম সংক্রান্ত আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত এক অংশীজন সভায় সভাপতিত্ব করার সময় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, আমরা এ বিষয়ে আলোচনা করার পর সিদ্ধান্ত নিতে চাচ্ছি। হঠাৎ করে একটি সিদ্ধান্ত নিয়ে তা অনুযায়ী আইন করা হলে যদি সেটা কাজেই না লাগে এবং অপরাধী যদি পার পেয়ে যায় বা উপকৃত হয় তাহলে সে আইনের কোনো সার্থকতা নেই। তিনি বলেন, গুমের বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল। এখানে বহু বিবেচনাধীন বিষয় রয়েছে, যা অংশীজনদের সঙ্গে একাধিক আলোচনার মাধ্যমে উঠে আসবে।
আইনমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে গুম যাতে আর কখনোই ফিরে আসতে না পারে-এমন একটি আইন প্রণয়ন করা হবে।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সচিব ড. হাফিজ আহমেদ চৌধুরী। এতে আরও বক্তব্য রাখেন, সিলেট-২ আসনের সংসদ সদস্য তাহসিনা রুশদীর লুনা, জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্য ও মানবাধিকার সংগঠন ‘মায়ের ডাক’ এর সমন্বয়ক সানজিদা ইসলাম তুলি, অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফেন লিলারসহ প্রমুখ।
সভায় বিশিষ্ট আইনজীবী, আইন মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা-সহ বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
উন্মুক্ত আলোচনা পর্বে উপস্থিত অংশীজনরা গুম প্রতিরোধে বাস্তবসম্মত আইন প্রণয়নে গুম সংক্রান্ত অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী শাস্তির মেয়াদ প্রণয়ন, তদন্তকারী কর্মকর্তার ন্যূনতম যোগ্যতার একটি মানদণ্ড প্রবর্তন ও এ অপরাধের সার্বিক বিচারিক কার্যক্রমকে একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় বিধি সংযোজন করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বাংলাদেশ সময়: ২৩:০৯:৫৯ ৮ বার পঠিত