শেরে বাংলা ছিলেন বাঙালি মুসলমানদের শিক্ষা ও সামাজিক মুক্তির অগ্রদূত : তথ্যমন্ত্রী

প্রথম পাতা » ছবি গ্যালারী » শেরে বাংলা ছিলেন বাঙালি মুসলমানদের শিক্ষা ও সামাজিক মুক্তির অগ্রদূত : তথ্যমন্ত্রী
শনিবার, ২৩ মে ২০২৬



শেরে বাংলা ছিলেন বাঙালি মুসলমানদের শিক্ষা ও সামাজিক মুক্তির অগ্রদূত : তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক কেবল একজন রাজনীতিবিদই ছিলেন না, তিনি ছিলেন বাঙালি মুসলমানদের শিক্ষা, অধিকার ও সামাজিক মুক্তির প্রকৃত অগ্রদূত।

আজ শনিবার (২৩ মে) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের সম্মেলন কক্ষে ‘শের-ই-বাংলা এ.কে. ফজলুল হক ফাউন্ডেশন’-এর উদ্যোগে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে ঈদ উপহার হিসেবে আর্থিক সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, শেরে বাংলার হাত ধরেই এই অঞ্চলের কৃষকরা জমিদারের শোষণ ও ঋণের জাল থেকে মুক্তি পেয়েছিল।

তথ্যমন্ত্রী তার পারিবারিক স্মৃতির কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘শেরে বাংলার নামের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে আমার গভীর আবেগ জড়িয়ে আছে। আমার দাদা উত্তর বরিশাল কৃষক প্রজা পার্টির সাধারণ সম্পাদক ও শেরে বাংলার ঘনিষ্ঠ শিষ্য ছিলেন।’

তিনি বলেন, ‘শৈশব থেকেই দাদার মুখে শেরে বাংলার বীরত্ব ও সমাজ সংস্কারের গল্প শুনে আমার রাজনৈতিক কর্মী হওয়ার অনুপ্রেরণা জেগেছিল।

এ সময় জহির উদ্দিন স্বপন আরো বলেন, ১৯৩৭ সালে অবিভক্ত বাংলার প্রথম নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর শেরে বাংলা বাঙালি মুসলমানদের মধ্যে শিক্ষার আলো ছড়াতে অনন্য ভূমিকা রাখেন। তার ঐতিহাসিক ঋণ সালিশী বোর্ড গঠনের ফলেই এ দেশের শোষিত কৃষকরা ঋণের ফাঁস থেকে মুক্ত হয়েছিলেন এবং জমিদারি প্রথা বিলুপ্তির পথ সুগম হয়েছিল।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, শেরে বাংলার মূল রাজনৈতিক লক্ষ্য বা এজেন্ডা (জমিদারি উচ্ছেদ ও প্রজার মুক্তি) সফল হওয়ার পর, প্রথাগত রাজনীতিতে তার উত্তরাধিকারের অবসান ঘটলেও একজন মহান সমাজ সংস্কারক হিসেবে তিনি চিরকাল প্রাসঙ্গিক থাকবেন।

মন্ত্রী এই মহান নেতার কর্মকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে শেরে বাংলা ফাউন্ডেশনকে গবেষণা ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণের আহ্বান জানান।

শের-ই-বাংলা এ. কে. ফজলুল হক ফাউন্ডেশনের সভাপতি প্রকৌশলী মো. আবু হানিফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা, সাবেক তথ্য সচিব ও বিটিআরসি’র সাবেক চেয়ারম্যান সৈয়দ মার্গুব মোর্শেদ।

অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক মো. জিয়াউর রহমান।

অনুষ্ঠানে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন জেলার ২০টি এতিমখানা ও মাদ্রাসার সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে ঈদ উপহার হিসেবে আর্থিক সহায়তার অর্থ তুলে দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ সময়: ১৫:৪০:১৭   ৮ বার পঠিত  




পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)

ছবি গ্যালারী’র আরও খবর


নগরবাসীর সেবা নিশ্চিতে রাজউকের কর্মকর্তাদের দলগতভাবে কাজ করতে হবে: গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী
বৈধ উৎস থেকে কোরবানির পশু কেনার আহ্বান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর
রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট ও বিচার নিয়ে যা জানালেন আইনমন্ত্রী
নারায়ণগঞ্জে ‘জলবায়ু সহিষ্ণু ক্যাম্পাস উদ্যোগ’: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আধুনিক স্বাস্থ্য উপকরণ বিতরণ
শেরে বাংলা ছিলেন বাঙালি মুসলমানদের শিক্ষা ও সামাজিক মুক্তির অগ্রদূত : তথ্যমন্ত্রী
সন্তানের অসুস্থতায় বুক ভেঙে আইসিইউতে বাবা, আলফাডাঙ্গায় কাঁদছে মানবতার পরিবার
শিশু রামিসা হত্যার বিচার দাবিতে রাঙ্গামাটিতে মানববন্ধন
ত্রিশালে ধরার খাল পুনঃখনন কার্যক্রম উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর
জমে উঠছে কোরবানির পশুর হাট, চাহিদা বেশি মাঝারি গরুর
ভারত না চাইলে পদ্মা ব্যারাজ নিয়ে আগ বাড়িয়ে আলোচনায় যাবে না সরকার

News 2 Narayanganj News Archive

আর্কাইভ