
বয়স ৩৭। ক্যারিয়ারের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে এলয় রম।
গোধূলিলগ্নে পৌঁছায় শক্তি-সামর্থ্য কমে আসবে তার এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু কানসাস সিটিতে ভিন্ন এক রমকে দেখা গেল।
গোলবারের নিচে দুর্ভেদ্য তিনি। যেন ইকুয়েডরকেই শুধু নয় চীনের মহাপ্রচীরকেও হার মানালেন রম।
এতটাই বীরত্ব দেখিয়েছেন তিনি। তার বীরত্বেই ঐতিহাসিক এক ড্র পেয়েছে কুরাসাও।
গোলশূন্যে ড্রয়ে অভিষেক বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো পয়েন্ট পেয়েছে কুরাসাও। তার পুরো কৃতিত্বই রমের।
শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দুর্দান্ত সব সেভ দিয়ে কুরাসাওকে জয়ের সময় ড্র এনে দিয়েছেন তিনি।
পুরো ম্যাচে ২৮টি শট নিয়েছে ইকুয়েডর। কিন্তু এরপরেও জালের দেখা পায়নি তারা। ‘সোনার হরিণের’ দেখা পাবে কি করে? এর মধ্যে একাই যে ১৫টি সেভ দিয়েছেন রম। তাতে রেকর্ড গড়েছেন তিনি।
১৯৬৬ সালের পর ৯০ মিনিটের হিসেবে বিশ্বকাপের এক ম্যাচে সর্বোচ্চ সেভ দিয়েছেন তিনি। আগের রেকর্ডটি ছিল র্যামন কুইরোগার। ১৯৭৮ বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ১৩টি সেভ দিয়েছিলেন পেরুর গোলরক্ষক।
অল্পের জন্য অবশ্য টিম হাওয়ার্ডের রেকর্ডে ভাগ বসাতে পারেননি রম। ২০১৪ বিশ্বকাপে বেলজিয়ামের বিপক্ষে এক ম্যাচে সর্বোচ্চ ১৬ সেভ দিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক গোলরক্ষক।
সেদিন অবশ্য ১২০ মিনিটের ম্যাচ খেলেছিলেন হাওয়ার্ড। আজ ৯০ মিনিটে ১৫ সেভ দিয়েছেন রম। অর্থাৎ, আরও ৩০ মিনিট খেলা হলে বিশ্বকাপের এক ম্যাচে সর্বোচ্চ সেভ দেওয়ার রেকর্ডটা নিশ্চিতভাবে নিজের নামে করতে পারতেন। সেটা না হলেও আজ কুরাসাওয়ের ‘বীর’ তিনি।
বিপরীতে রমের মতো বীরত্ব দেখাতে না পারলেও আরেক ‘নিঃসঙ্গ শেরপা’ ইকুয়েডরের গোলরক্ষক হারনান গালিনদেজ ৩টি সেভ দিয়েছেন।
বাংলাদেশ সময়: ১৫:১৪:১২ ১৩ বার পঠিত