
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে নৌ-পরিবহণ প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকা পরিদর্শন করেছেন।
বুধবার (১ জুলাই) বিকাল ৫টার দিকে নির্মানাধীন ৫নং ঘাট এবং ৪নং ঘাটের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন প্রতিমন্ত্রী।
পরিদর্শন শেষে রাজিব আহসান বলেন, দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের এ্যাপ্রোচ সড়ক নির্মাণে রডের পরিবর্তে বাঁশের ব্যবহার নিয়ে গণমাধ্যমে প্রচারিত একটি সংবাদ সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নজরেও এসেছে সংবাদটি। তিনি প্রকৃত ঘটনা জানার জন্য আমাকে ডেকেছিলেন। আমি তার নির্দেশেই আজকে এখানে এসেছি।
তিনি বলেন, বিআইডব্লিউটিএ’র প্রকৌশল বিভাগে খোঁজ নিয়ে জেনেছি, ফেরিঘাটে যে এ্যাপ্রোচ সড়কগুলো নির্মাণ করা হয় সেগুলো বাঁশ দিয়েই করা হয়। ১৯৬৩ সাল হতে এভাবেই দেশের ফেরিঘাটের এ্যাপ্রোচ সড়কগুলো নির্মিত হয়ে আসছে। আমি কাজের শিডিউল সংগ্রহ করেছি। শিডিউলে বাঁশের ব্যবহারের কথাই বলা রয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ফেরিঘাটে সাধারণত নদী ভাঙন হয়ে থাকে, তাই রড দিয়ে সেখানে কোনো কাজ করা হয় না। তাছাড়া বাঁশ দিয়ে কাজ করলে কারিগরি কোনো সমস্যাও হয় না। বহু বছর ধরে এভাবেই হয়ে আসছে। হঠাৎ করে এ ধরনের একটি সংবাদে সরকার বিব্রত হয়েছে। আশা করছি আপনারা ভবিষ্যতে আরও খোঁজখবর নিয়ে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সংবাদ প্রকাশ করবেন।
এ সময় কয়েকজন সাংবাদিক বলেন, বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ দৌলতদিয়া ঘাটে কী কাজ করছে- সে সম্পর্কে গণমাধ্যম কর্মীদেরকে অবহিত করা হয় না। কল দিয়েও দায়িত্বশীল কোনো কর্মকর্তাকে পাওয়া যায় না। কাজের বিস্তারিত তুলে ধরে কোনো সাইনবোর্ডও টাঙানো হয় না।
এর জবাবে রাজিব আহসান বলেন, ভুল বোঝাবুঝি এড়াতে আগামীতে এখানে যেকোনো কাজের ক্ষেত্রেই বিস্তারিত উল্লেখ করে সাইনবোর্ড টাঙানো থাকবে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, দৌলতদিয়া ঘাটে সাম্প্রতিক সময়ে দুটি বাস ডুবির ঘটনার পর এখানে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। এরমধ্যে ফেরিতে যত্রতত্র যাত্রীবাহী বাস ওঠানামা নিয়ন্ত্রণ করতে প্রতিটি ফেরিঘাটে হাইড্রোলিক বেরিয়ার, সিসি ক্যামেরা স্থাপনসহ বিভিন্ন কাজ চলমান রয়েছে।
পরিদর্শনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন- বিআইডব্লিউটিসির পরিচালক (বাণিজ্য) মো. আশিকুজ্জামান, আরিচা অঞ্চলের ডিজিএম মো. সালাম হোসেন, পরিচালক (কারিগরি) হাসেমুর রহমান প্রমুখ।
বাংলাদেশ সময়: ০:০৬:১০ ৫ বার পঠিত