বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬

জামালপুরে বিদ্যুতের হাহাকার, তীব্র ক্ষোভের মুখে পল্লী বিদ্যুৎ

প্রথম পাতা » ছবি গ্যালারী » জামালপুরে বিদ্যুতের হাহাকার, তীব্র ক্ষোভের মুখে পল্লী বিদ্যুৎ
বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬



জামালপুরে বিদ্যুতের হাহাকার, তীব্র ক্ষোভের মুখে পল্লী বিদ্যুৎ

জামালপুর প্রতিনিধি : জামালপুরসহ পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে দেখা দিয়েছে বিদ্যুতের তীব্র সংকট। সরকারি অফিশিয়াল তথ্যানুযায়ী, জামালপুর, শেরপুর এবং টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে মোট ১৭০ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৬৫ মেগাওয়াট। ফলে এই পুরো অঞ্চলে লোডশেডিংয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬২ শতাংশে।

​কাগজে-কলমে দিনে ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকার কথা বলা হলেও মাঠপর্যায়ের বাস্তব চিত্র আরও ভয়াবহ। গ্রাহকদের অভিযোগ, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তারা সর্বোচ্চ ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ পাচ্ছেন। ঘন ঘন লোডশেডিং এবং তীব্র বিদ্যুৎ সংকটে ক্ষোভে ফুটছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ।

​জামালপুর সদরের নান্দিনা জোনাল অফিসে পরিস্থিতি সবচেয়ে বেশি শোচনীয়। পল্লী বিদ্যুৎ সূত্র জানিয়েছে, নান্দিনা জোনে ৩৩ কেভি লাইনে ১৯ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে বিদ্যুৎ সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৬ মেগাওয়াট।

​বিদ্যুৎ না থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে তৈরি হয়েছে চরম অসন্তোষ। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে যেকোনো সময় বড় ধরনের জনরোষের আশঙ্কায় নিজের ও দপ্তরের নিরাপত্তার জন্য পুলিশের দ্বারেস্থ হয়েছেন নান্দিনা জোনের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) নিরাপদ দাস। তিনি ইতোমধ্যে নিরাপত্তা চেয়ে থানায় লিখিত আবেদন করেছেন।

​জামালপুর সদরের পূর্বাঞ্চলের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক কেন্দ্র নান্দিনা বাজারে সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মাত্র ৪-৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ মেলায় স্থবির হয়ে পড়েছে সেখানকার ব্যবসা-বাণিজ্য। ফ্রিজে রাখা পচনশীল পণ্য নষ্ট হওয়া থেকে শুরু করে প্রোডাকশনমুখী ব্যবসাগুলো চরম ক্ষতির মুখে পড়েছে। অঞ্চলের মোট চাহিদা: ১৭০ মেগাওয়াট কিন্তু প্রাপ্তি: ৬৫ মেগাওয়াট (ঘাটতি ৬২%)। নান্দিনা জোনের চাহিদা: ১৯ মেগাওয়াট, প্রাপ্তি: ৬ মেগাওয়াট,বিদ্যুৎপ্রাপ্তি: ২৪ ঘণ্টায় মাত্র ৪–৫ ঘণ্টা।

তীব্র এই বিদ্যুৎ সংকট থেকে দ্রুত পরিত্রাণ চেয়েছেন এই অঞ্চলের ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ী সমাজ।

বাংলাদেশ সময়: ২২:৩৮:৪৬   ৮ বার পঠিত