শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

বোয়ালমারীতে নেশাগ্রস্ত জামাইয়ের কাছ থেকে মেয়েকে ছাড়িয়ে দুধ দিয়ে গোসল মায়ের

প্রথম পাতা » ছবি গ্যালারী » বোয়ালমারীতে নেশাগ্রস্ত জামাইয়ের কাছ থেকে মেয়েকে ছাড়িয়ে দুধ দিয়ে গোসল মায়ের
শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬



বোয়ালমারীতে নেশাগ্রস্ত জামাইয়ের কাছ থেকে মেয়েকে ছাড়িয়ে দুধ দিয়ে গোসল মায়ের

বোয়ালমারী (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: নিজের আপন বোনের ছেলের সঙ্গে মেয়ের বিয়ে দিয়েছিলেন জুলেখা বেগম। কিন্তু বিয়ের পর জানতে পারেন, তার জামাই সুমন শেখ মাদকাসক্ত এবং মেয়েকে নির্যাতন করেন-এমন অভিযোগ পরিবারের। শেষ পর্যন্ত মেয়েকে স্বামীর সংসার থেকে ছাড়িয়ে আনার পর নিজের দেওয়া ওয়াদা অনুযায়ী প্রকাশ্যে দুধ দিয়ে গোসল করেছেন ওই মা। এ ঘটনার একটি ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) সকাল ৮টার দিকে ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার চতুল ইউনিয়নের বাইখীর চৌরাস্তা বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
জুলেখা বেগম উপজেলার বড় বাইখীর গ্রামের মহশিন মোল্লার স্ত্রী। তার মেয়ে মনিরা খাতুনকে (৩০) প্রায় ১৪ বছর আগে আপন বোনের ছেলে সুমন শেখের (৩২) সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হয়।
জুলেখা বেগম বলেন, নিজের বোনের ছেলের সঙ্গে মেয়ের বিয়ে দিয়েছিলাম। কিন্তু বিয়ের পর থেকেই সে মেয়েকে নির্যাতন ও মারধর করত। নেশা করে প্রায়ই মেয়ের ওপর অত্যাচার চালাত। কয়েকদিন আগে কাবিন রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে তালাকের পর মেয়েকে আমার কাছে নিয়ে এসেছি। এরপর দেওয়া ওয়াদা অনুযায়ী দুধ দিয়ে গোসল করেছি।

মনিরার বাবা মহশিন মোল্লা বলেন, বিয়ের পর থেকেই মেয়েকে তার স্বামী মারধর ও নির্যাতন করত। সে নেশা করত। অনেক চেষ্টা করেও পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়নি। শেষ পর্যন্ত মেয়েকে ছাড়িয়ে এনেছি। পরে আমার স্ত্রী তার দেওয়া ওয়াদা অনুযায়ী দুধ দিয়ে গোসল করেছেন।
মনিরা খাতুন বলেন, অহেতুক কারণে আমার স্বামী আমাকে মারধর করত। বিয়ের পর থেকেই মাদক সেবন করে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আমার ওপর নির্যাতন চালাত। আমার মা-বাবা একাধিকবার বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু পরে আবার একই ঘটনা ঘটত। শেষ পর্যন্ত মা আমাকে তার কাছ থেকে ছাড়িয়ে এনেছেন।

তবে স্ত্রীকে নির্যাতন ও মাদকাসক্ত হওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সুমন শেখ। তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সঠিক নয়। আমাকে ফাঁসানোর জন্য এসব অপবাদ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ঘটনাটি নিয়ে নানা আলোচনা চলছে।

বাংলাদেশ সময়: ১৫:৪১:৪৪   ২২ বার পঠিত