![]()
ফিফটি কিংবা সেঞ্চুরির পরেই সাধারণত ব্যাট উঁচিয়ে ধরেন ব্যাটাররা। কিন্তু আবুধাবি টেস্টের প্রথম ইনিংসে ১ রান করেই ব্যাট উঁচিয়ে ধরলেন লিটন দাস।
শুধু ব্যাটই উঁচিয়ে ধরেননি, ইয়ামিন আহমদজাইয়ের বলে সিঙ্গেল নেওয়ার পর মুচকি হাসিও দিলেন বাংলাদেশের উইকেটরক্ষক-ব্যাটার।
লিটনের এই হাসি ছিল স্বস্তির। আবুধাবি টেস্টের আগে সর্বশেষ ৫ ইনিংসের ৪টিতেই ‘ডাক’ মেরেছিলেন তিনি। তাই সিঙ্গেল নেওয়ার পরেই ড্রেসিংরুমের দিকে ব্যাট উঁচিয়ে ধরেছিলেন উইকেটরক্ষক-ব্যাটার।
সেই ইনিংসে পরে ফিফটিও করেন তিনি। তবে সেট হওয়ার পরেও নিশ্চয়ই সেঞ্চুরি না পাওয়ার আক্ষেপ ছিল তার।
প্রথম ইনিংসে ৫৩ রানে ফিরলেও এবার তিন অংকের দেখা পেয়েছেন লিটন। কাইস আহমেদকে লেট কাটে চার মেরে সেঞ্চুরির দেখা পান তিনি।
তাতে মুখের হাসি আজ আরো চওড়া হয় লিটনের। বল বাউন্ডারি লাইন স্পর্শ করতেই ব্যাট ও হেলমেট উঁচিয়ে ধরেন তিনি। সঙ্গে মুখে চওড়া হাসি।
তবে সেঞ্চুরির পর ইনিংস দীর্ঘ করতে পারেননি লিটন। মোহাম্মদ সালেমের বলে বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে ১০২ রানে উইকটেরক্ষক ইকরাম আলিখিলের হাতে ক্যাচ দেন তিনি।
ক্যারিয়ারের ৭ম সেঞ্চুরির ইনিংসটি সাজান ১৪ চারে।
লিটন আউট হতেই ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ। তাতে দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের স্কোর দাঁড়ায় ৭ উইকেটে ৩৭২। আফগানিস্তানকে জিততে হলে দেড় দিনে করতে হবে ৪৭৯ রান।
সেঞ্চুরি করার পথে ভাগ্যকে পাশে পেয়েছেন লিটন। দুইবার ‘জীবন’ পেয়েছেন তিনি। দুইবারই কাইসের বলে। ১৪ রানে স্লিপে। আর ব্যক্তিগত ২৬ রানের সময় আফগানিস্তানের লেগস্পিনার নিজেই লিটনকে ‘জীবন’ দেন। এরপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি বাংলাদেশি ব্যাটারকে।
লিটনের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে আবুধাবি টেস্টের চতুর্থ দিনের শুরুটা দারুণ হয় বাংলাদেশের। উইকেটরক্ষক-ব্যাটারকে অবশ্য যোগ্য সঙ্গ দিয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। দুজনে মিলে সপ্তম উইকেটে ১৪৯ রানের জুটি গড়েন। একবার জীবন পেয়ে মিরাজ অপরাজিত থাকেন ৫২ রানে। ক্যারিয়ারের ১১তম ফিফটির ইনিংসে মারেন ৫ চার।
৬ উইকেটে ২২৩ রান নিয়ে আজ দিন শুরু করেছিল বাংলাদেশ। লিটন আউট হওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণার সময় দলীয় স্কোর দাঁড়ায় ৭ উইকেটে ৩৭২ রান। তাতে লিড দাঁড়ায় ৪৭৮। আফগানদের হয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে সর্বোচ্চ ২ টি করে উইকেট নেন ইয়ামিন, সালেম ও জিয়া-উর-রহমান।
বাংলাদেশ সময়: ১৬:১৫:৩৯ ৫ বার পঠিত