শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬

গণতন্ত্র ও দেশ রক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর

প্রথম পাতা » ছবি গ্যালারী » গণতন্ত্র ও দেশ রক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর
শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬



গণতন্ত্র ও দেশ রক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর

গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি সুদৃঢ়করণ, জাতীয় ঐক্য ও রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত মোকাবিলায় দলমত-নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান।

আজ দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ আহ্বান জানান তিনি।

৭ নভেম্বর বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ দিন উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার অন্যতম অঙ্গীকার ছিল গণতন্ত্র ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা। কিন্তু স্বাধীনতা-পরবর্তী বিভিন্ন সময়ে গণতান্ত্রিক অধিকার চর্চার পথে নানা বাধা সৃষ্টি হয়েছে এবং এ দেশের মানুষ নির্যাতন, নিপীড়ন, জেল-জুলুম ও গুমের শিকার হয়েছে। এমন এক সংকটময় ও অনিশ্চিত পরিস্থিতিতে ইতিহাসের প্রয়োজনে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে দেশপ্রেমিক জনগণ ও সশস্ত্র বাহিনী দেশকে রক্ষায় এগিয়ে এসেছিল।

মন্ত্রী আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শুধু দেশের স্বাধীনতা রক্ষাই করেননি, ক্রান্তিলগ্নে দেশের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা পুনরুজ্জীবিত করার পাশাপাশি অর্থনৈতিক পুনর্গঠন, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর বিকাশ এবং জাতীয় জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সুসংহত অগ্রগতির মাধ্যমে আধুনিক বাংলাদেশের ভিত্তি নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তাঁর রাষ্ট্রচিন্তা, দেশপ্রেম ও জাতীয় ঐক্যের চেতনাকে ধারণ করে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশকে উন্নয়ন, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, জাতীয় জীবনে বিভাজন ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে এমন সব অপতৎপরতা মোকাবিলা করে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, স্বাধীনতার চেতনা ও জাতীয় স্বার্থ সমুন্নত রাখতে হবে। একটি সমৃদ্ধ, স্থিতিশীল ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহনশীলতা ও জাতীয় সংহতির কোনো বিকল্প নেই। এ লক্ষ্য অর্জনে রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন এবং সর্বস্তরের জনগণকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. আবুল হাছানাত হুমায়ুন কবীর এবং বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অন্য অতিথিরা ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, জাতীয় জীবনে এর তাৎপর্য এবং গণতন্ত্র, জাতীয় ঐক্য ও রাষ্ট্রীয় সংহতি প্রতিষ্ঠায় দিবসটির গুরুত্ব তুলে ধরেন।

আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক আবদুল হাই শিকদার, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাত এবং ডেইলি টাইমস অব বাংলাদেশের উপদেষ্টা সম্পাদক ও জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান।

আলোচনা সভা শুরুর আগে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এ সময় মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়।

বাংলাদেশ সময়: ২৩:০০:৪৪   ৬ বার পঠিত