
বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, ৭ নভেম্বর দেশের ইতিহাসে ভাগ্য পরিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। এ দিনের মধ্য দিয়ে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতা রক্ষার আকাঙ্ক্ষা নতুন করে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান মানুষের মধ্যে জাতীয়তাবোধ ও আত্মবিশ্বাস জাগিয়ে তুলেছিলেন। সীমিত সম্পদ ও নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা রয়েছে- তিনি তা প্রমাণ করেছিলেন।
আজ নগরীর জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সততা ও দেশপ্রেমের আদর্শ অনুসরণ করে দেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধার এবং রাষ্ট্রের প্রতিটি পর্যায়ে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে ব্যাংকিং ব্যবস্থা শক্তিশালী করার পাশাপাশি সরকারকে এমন একটি জনবান্ধব সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে হবে, যেখানে মানুষ প্রকৃত অর্থেই সেবা পাবে।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্ব প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ অল্প সময়ের মধ্যে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান ও গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করে। মুসলিম বিশ্বের সঙ্গেও সম্পর্ক সুদৃঢ় হয়।
মন্ত্রী বলেন, সততা, স্বজনপ্রীতিহীনতা ও দেশপ্রেমের যে দৃষ্টান্ত তিনি রেখে গেছেন, তা এখনো মানুষের কাছে একটি মানদণ্ড। বিএনপির নেতাকর্মীদের কাছেও মানুষ একই মানের সততা, দায়িত্বশীলতা ও আদর্শ প্রত্যাশা করে।
তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান যেভাবে প্রতিকূল পরিস্থিতি থেকে দেশকে এগিয়ে নিয়েছিলেন, সেই আদর্শ অনুসরণ করেই বর্তমান অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধার করতে হবে। ব্যাংকিং খাত শক্তিশালী করা, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে বিশ্বাসযোগ্যতা ও জবাবদিহি ফিরিয়ে আনা এবং জনসেবার মান বাড়ানো জরুরি। এ লক্ষ্য অর্জনে সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।
সিলেটের জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য এম এ মালিক, অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী ও তাহসিনা রুশদীর লুনা, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী, বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান, পুলিশ কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীম এবং রেঞ্জ ডিআইজি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন।
এ ছাড়া সিলেট ওয়াসার চেয়ারম্যান মিফতাহ সিদ্দিকী, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীম ও পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী যাবের সাদেকসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, জুলাইযোদ্ধা এবং গণমাধ্যমকর্মীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ সময়: ২৩:০৩:২৪ ৫ বার পঠিত