জ্বালানি আমদানির বকেয়া কমিয়ে ৭০০-৮০০ মিলিয়নে আনা হয়েছে: জ্বালানি উপদেষ্টা

প্রথম পাতা » ছবি গ্যালারী » জ্বালানি আমদানির বকেয়া কমিয়ে ৭০০-৮০০ মিলিয়নে আনা হয়েছে: জ্বালানি উপদেষ্টা
শনিবার, ২১ জুন ২০২৫



জ্বালানি আমদানির বকেয়া কমিয়ে ৭০০-৮০০ মিলিয়নে আনা হয়েছে: জ্বালানি উপদেষ্টা

জ্বালানি আমদানির বকেয়া ৩.২ বিলিয়ন ডলার থেকে কমিয়ে ৭০০-৮০০ মিলিয়ন ডলারে আনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। তিনি বলেন, এতে জ্বালানির দামও কমে এসেছে।

শুক্রবার (২১ জুন) সিরডাপ ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স সেন্টারে বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি আয়োজিত ‘ডিবেটিং বাজেট অ্যান্ড বিয়ন্ড’ শীর্ষক এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা আগে এলএনজি কিনতাম ১৬-১৭ ডলারে। বকেয়া পরিশোধের কারণে সেটি এখন ১২-১৩ ডলারে নেমেছে।’

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘নিজস্ব গ্যাসের মজুত কমে আসায় আমদানি করা এলএনজির ওপর নির্ভরতা বাড়ছে। এতে সরকারকে বড় অঙ্কের ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে সব সরকারি ভবনে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা যায়।’

ছাদে সৌর প্যানেল বসিয়ে বেসরকারি খাত থেকেও অন্তত ২ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সুযোগ রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

অপচয়, দুর্নীতি ও অদক্ষতাকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রধান অন্তরায় উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, ‘পানির উৎস থেকে ছয় কিলোমিটার দূরে কেবল একজন মন্ত্রীর সুবিধার জন্য বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছে। অপ্রয়োজনে রাস্তা করা হয়েছে, অব্যবস্থাপনায় রাষ্ট্রীয় অর্থ নষ্ট হয়েছে।’

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ৬৬ হাজার কোটি টাকার ভর্তুকি রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এটা চলতে পারে না। আমরা জনগণের কাছ থেকে যে দাম নিচ্ছি, তার চেয়ে অনেক বেশি দামে বিদ্যুৎ কিনতে হচ্ছে।’

মাল্টিমডেল ইন্টিগ্রেটেড প্ল্যান প্রস্তুতের কথা উল্লেখ করে ফাওজুল কবির বলেন, ‘কোথায় রাস্তা করা হবে, তা এখন নির্ধারণ করা হচ্ছে। আগে বিনা প্রয়োজনেই রাস্তা বানানো হয়েছে। আমাদের নদীপথ ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল, সেগুলো সচল করার চেষ্টা চলছে।’

অন্তর্বর্তী সরকারের অবস্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা আত্মীয়স্বজনকে নিয়োগ না দিয়ে, ব্যবসায়িক সুবিধা না দিয়ে এমন একটি দৃষ্টান্ত রেখে যেতে চাই, যা ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক উদাহরণ হবে।’

সেমিনারে ন্যাশনাল ব্যাংকের চেয়ারম্যান আবদুল আওয়াল মিন্টু বলেন, ‘বাজেট আসলে ভবিষ্যতের জন্য একটি নীতিবিবৃতি। গত ১০-১৫ বছরে রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী গোষ্ঠী ও আমলাতন্ত্রের সমন্বয়ে দেশের সাংবিধানিকসহ সব ধরনের প্রতিষ্ঠান করায়ত্ব করা হয়েছিল। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সংস্কারে মনোযোগ দিচ্ছে, তাদের এ বিষয়গুলোতেও নজর দেওয়া দরকার।’

তিনি বলেন, ‘ভ্যাট বাড়ানো হলেও প্রত্যক্ষ কর বাড়াতে পারছি না। তাহলে সুষম বণ্টন হবে কীভাবে? মুদ্রানীতিতে সুদের হার বাড়িয়ে প্রাইভেট সেক্টরে সংকোচন করা হচ্ছে, অথচ সরকারের খরচে কোনো সংকোচন দেখা যাচ্ছে না। ব্যাংকে যে টাকা জমা হচ্ছে, তার বড় অংশ সরকার ধার হিসেবে নিচ্ছে। তাহলে অর্থনীতি কীভাবে চলবে?’

আওয়াল মিন্টু আরও বলেন, “বিনিয়োগের একটি পূর্বশর্ত হলো সামাজিক শৃঙ্খলা ও মূলধন। টাকা-পয়সার মামলা নিষ্পত্তি হতে ২০ বছর লাগলে কেউ বিনিয়োগে আগ্রহী হবে না।”

বাংলাদেশ সময়: ২৩:৩৪:১১   ১২৩ বার পঠিত  




পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)

ছবি গ্যালারী’র আরও খবর


যতদিন মানুষের অধিকার নিশ্চিত না হবে, ততদিন চব্বিশ চলবে : শফিকুর রহমান
নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়ার প্রত্যাশা পররাষ্ট্র উপদেষ্টার
১৮ কোটি লোকের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা ডিফিকাল্ট কাজ : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
ভুল সিদ্ধান্ত নিলে ভবিষ্যতে আবারও জুলুম-নির্যাতনের আশঙ্কা রয়েছে: খোকন
অলিম্পিক ভিলেজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন সেনাপ্রধান
বরিশালে বাসচাপায় প্রাণ গেল ব্যাংক কর্মকর্তার
বিশ্বকাপ বাছাইয়ে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ
বিটিভিকে আঠারো কোটি মানুষের চ্যানেল হয়ে উঠতে হবে - তথ্য উপদেষ্টা
ব্যক্তিতান্ত্রিক শাসনের অবসানের জন্যই জুলাই সনদ - আলী রীয়াজ
​সরিষাবাড়ীতে বিএনপির উঠান বৈঠক ‘ধানের শীষ শান্তি ও মুক্তির প্রতীক’

News 2 Narayanganj News Archive

আর্কাইভ