৬০ বছরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, অনাড়ম্বর অনুষ্ঠান নিয়ে অসন্তোষ

প্রথম পাতা » চট্টগ্রাম » ৬০ বছরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, অনাড়ম্বর অনুষ্ঠান নিয়ে অসন্তোষ
মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৫



৬০ বছরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, অনাড়ম্বর অনুষ্ঠান নিয়ে অসন্তোষ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ৬০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। অন্যান্য বছরের তুলনায় অনেকটা অনাড়ম্বরভাবে পালিত হওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন চাকসুর নির্বাচিত প্রতিনিধিরা। এদিকে হীরক জয়ন্তী পালন না করা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।

মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) সকাল ১০টায় অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার কথা থাকলেও শুরু হয় সাড়ে ১০টায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মরণ চত্বরে উপাচার্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান আনন্দ শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন। র‍্যালিতে অংশ নিয়েছেন সীমিত সংখ্যক শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী। স্মরণ চত্বর থেকে শুরু হওয়া শোভাযাত্রাটি কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার ও জারুলতলা ঘুরে প্রশাসনিক ভবনের সামনে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে কেক কাটা হয়। ক্লাস পরীক্ষা চলমান থাকায় র‍্যালি কিংবা কেক কাটা কোনোটিতেই তেমন দেখা মেলেনি শিক্ষার্থীদের। বিকেলে আছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন।

এ দিকে, প্রায় দীর্ঘ তিন যুগ পেরিয়ে চাকসু নির্বাচনের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী নিয়ে নিজেদের প্রত্যাশায় ভাটা পরার কথা জানান নির্বাচিত প্রতিনিধিরা। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবারই সবচেয়ে দায়সারাভাবে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করা হচ্ছে বলে হতাশা প্রকাশ করেন তারা।

বিজয়–২৪ হলের ভিপি শানু আক্তার নদী বলেন, ‘হীরক জয়ন্তীর মতো গুরুত্বপূর্ণ দিনে ক্যাম্পাসে সাজানো হলেও হলগুলোতে কোনো সাজ–সজ্জা ছিল না। সোমবার রাত পর্যন্তও বুঝতে পারিনি আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের হীরক জয়ন্তী। আমরা এই ব্যাপারে প্রস্তাব জানালেও প্রশাসন সরাসরি কোনো উত্তর দেয়নি।’

চাকসুর নেতারা অভিযোগ করেন, বড় আয়োজন করার সুযোগ থাকলেও তা কাজে লাগাতে পারেনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

চাকসুর ভিপি মো. ইব্রাহীম বলেন, ‘আরও সুন্দরভাবে আয়োজন করা যেত। গত বছর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়নি। এবার হয়েছে, এটা ভালো। আমরা প্রশাসনের কাছে প্রস্তাব জানাবো যেন হীরক জয়ন্তীর আরও সুন্দরভাবে করা হয়।’

চাকসুর এজিএস আয়ুবুর রহমান বলেন, ‘আজকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের হীরক জয়ন্তী পূরণ হয়েছে। শিক্ষার্থীদের জন্য যেমন আয়োজন দরকার সেরকম করা হয়নি। ক্লাস চলাকালীন শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠান উপভোগ করতে পারেনি। হীরক জয়ন্তী উপলক্ষে আমরা প্রস্তাব দিয়েছিলাম কিন্তু তেমন কোনো আয়োজন দেখিনি আজকে।’

তবে হীরক জয়ন্তী পালন নিয়ে আশার কথা জানাচ্ছেন কর্তৃপক্ষ। প্রাক্তন-বর্তমান সবাইকে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় বড় পরিসরে হীরক জয়ন্তী পালনের কথা ভাবছে বলে জানায় প্রক্টর।

উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী বলেন, ‘আমাদের পক্ষ থেকে কোনো কার্পণ্য ছিল না। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি।’

তিনি জানান, উপাচার্য ইয়াহইয়া আখতার চান হীরক জয়ন্তীর বড় আয়োজনটি এমনভাবে করতে, যাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে এখন পর্যন্ত সব ব্যাচের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হয়।

১৯৬৬ সালের ১৮ নভেম্বর মাত্র ২০০ শিক্ষার্থী ও ৭ জন শিক্ষক নিয়ে যাত্রা শুরু করে দেশের অন্যতম স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।

বাংলাদেশ সময়: ১৬:১৯:২১   ৬৪ বার পঠিত  




পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)

চট্টগ্রাম’র আরও খবর


বিদেশে টাকা পাচারকারীদের সংসদে ঠাঁই হবে না: হাসনাত আবদুল্লাহ
খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের মশাল তারেক রহমানের হাতে দিয়ে গেছেন : আমীর খসরু
চাঁদাবাজদের সংসদে যাওয়ার রাস্তা বন্ধ করতে হবে : হাসনাত আব্দুল্লাহ
সব সম্প্রদায়ের মানুষ মিলেমিশে বসবাস করছে রাঙামাটিতে -অতিরিক্ত পুলিশ সুপার
আমরা হাদির রেখে যাওয়া কাজ বাস্তবায়নে মাঠে নেমেছি : হাসনাত
সেন্টমার্টিনের বাসিন্দাদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে সরকার
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই: ইসি সানাউল্লাহ
শেখ হাসিনা ও তার পিতা বাংলাদেশের গণতন্ত্র হত্যাকারী : সালাহউদ্দিন
কেন্দ্র দখল করতে আসলে প্রতিহত করা হবে: হাসনাত আবদুল্লাহ
শোককে শক্তিতে রূপান্তরিত করে দেশ পুনর্গঠনে ব্যবহার করব : সালাহউদ্দিন

News 2 Narayanganj News Archive

আর্কাইভ