![]()
সব সঞ্চয়ী ও চলতি হিসাবের সঙ্গে এখন থেকে মেয়াদি আমানতের বিপরীতেও দুই লাখ টাকা পর্যন্ত তুলতে পারবেন সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারী। পাশাপাশি আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে মাসিকভিত্তিক মুনাফা তুলতে পারবেন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর।
এছাড়া রেমিট্যান্স ও সঞ্চয়পত্রের বিপরীতে মুনাফা তাৎক্ষিকভাবে তোলা যাবে। একই সঙ্গে চলতি বছর থেকে বাজারভিত্তিক হারে মুনাফা দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে গভর্নর এসব তথ্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, পাঁচটি ব্যাংকের গ্রাহকদের লেনদেন পরিস্থিতি খুব শিগগিরই স্বাভাবিক হয়ে আসবে।
গভর্নর বলেন, সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংককে ঘিরে বিভিন্ন মহলে কিছু অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। এসব সমস্যা নিরসনে বাংলাদেশ ব্যাংক কাজ করছে। কোনো পরিকল্পনাই শতভাগ সফলভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধান করা হয়। তবে কিছু মহল একীভূত ব্যাংকের কার্যক্রমে বাধা দেওয়ার অপচেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
আহসান এইচ মনসুর আরও বলেন, সব আমানতকারীর মূল আমানত সম্পূর্ণ নিরাপদ থাকবে এবং তা পর্যায়ক্রমে ফেরত দেওয়া হবে। এ বিষয়ে আগেও গ্রাহকদের জানানো হয়েছে। বর্তমানে যে কোনো স্কিম থেকে একজন গ্রাহক সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পর্যন্ত উত্তোলন করতে পারছেন।
মুনাফার হার সম্পর্কে গভর্নর জানান, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে সম্পূর্ণ বাজারদরে মুনাফা কার্যকর হয়েছে। এক বছরের বেশি মেয়াদি আমানতে মুনাফার হার নির্ধারণ করা হয়েছে ৯ দশমিক ৫ শতাংশ এবং এক বছরের কম মেয়াদি আমানতে ৯ শতাংশ।
আমানতকারীদের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার দুই বছরের জন্য যে ৪ শতাংশ সহায়তা দিচ্ছে, এতে অতিরিক্ত প্রায় ৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ব্যয় হচ্ছে। তাই গুজবে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এছাড়া গভর্নর জানান, আমানতকারীরা প্রতি ছয় মাস অন্তর এক লাখ টাকা করে ঋণ নিতে পারবেন। এ সুবিধার মাধ্যমে তারা তাদের আমানতের সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবেন, যা তাৎক্ষণিক আর্থিক চাহিদা পূরণে সহায়ক হবে।
বাংলাদেশ সময়: ২৩:৫২:০৩ ১২ বার পঠিত