![]()
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ শিল্প আর ঐতিহ্যের এক মিলনস্থল। এই জনপদের রাজনীতিতে অনেক নাম এসেছে এবং গিয়েছে, কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে একজন ব্যক্তি তার কাজ আর অমায়িক ব্যবহারের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের হৃদয়ে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছেন। তিনি আর কেউ নন, রূপগঞ্জের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান দিপু ভূঁইয়া।
এলাকাবাসীরা বলেন, ‘তিনি এখন জনগণের দোরগোড়ায় প্রতিনিধি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন।
সাধারণত সংসদ সদস্যদের দেখা মেলা ভার—এমন অভিযোগ প্রচলিত থাকলেও দিপু ভূঁইয়ার ক্ষেত্রে চিত্রটি ভিন্ন। তাকে পাওয়া যায় চায়ের দোকানে, কৃষকের আঙিনায় কিংবা সাধারণ শ্রমিকের মিছিলে। প্রটোকলের বেড়াজাল ভেঙে তিনি মিশে যান সাধারণ মানুষের ভিড়ে। মানুষের সমস্যা শুনে ফাইলবন্দি না করে মাঠপর্যায়েই সমাধানের চেষ্টা করেন তিনি।
রূপগঞ্জের একজন প্রবীণ বাসিন্দা রজব আলী বলেন, ‘তিনি ইতিমধ্যে উন্নয়নের কারিগর হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। শুধু মানবিকতা নয়, রূপগঞ্জের অবকাঠামো উন্নয়নেও তিনি রেখে চলেছেন দূরদর্শী ভূমিকা। রাজনীতি যদি হয় মানুষের কল্যাণের জন্য, তবে দিপু ভূঁইয়া সেই কল্যাণের এক বিশ্বস্ত প্রতিচ্ছবি।’
হাটাবো এলাকার গৃহিণী অঞ্জনা রাণী বলেন, ‘অনেক এমপি দেখছি।
দিপু ভূঁইয়ার মতোন মানুষ দেহি নাই। ওনি মানুষের লগে সুন্দর কইরা কতা কয়। অনেক ভাল ব্যবহার।’
কায়েতপাড়া এলাকার সত্তরোর্ধ্ব হরিপদ ভুলু বিশ্বাস বলেন, ‘কতো এমপি আইলো, গেলো। মাদক, চান্দাবাজি নিয়া কেউ চিন্তা করে নাই।
দেখলাম দিপু ভূঁইয়া এইডা নিয়া কাজ করতাছে।’
আড়িয়াবো এলাকার শিল্পপতি শাহীন ভূইয়া বলেন, বিগত সময়ে শিল্পকারখানার মালিকরা রাজনীতিবীদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ ছিল। দিপু ভূঁইয়া এমপি হওয়ার পর যেনো চিত্র পাল্টে গেছে। ব্যবসায়ীরা এখন নিরাপদে ব্যবসা করছে। সবচেয়ে বড় বিষয় উনি অভিজাত রাজনৈতিক পরিবারে জন্ম নিয়েছেন। ওনার পরিবারের লোকজন সংসদ সদস্য, উপজেলা চেয়ারম্যান, চেয়ারম্যান ছিলেন। যার ফলে ওনি ছোটকাল থেকেই রূপগঞ্জের মানুষকে দেখে আসছেন।
নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু বলেন, আমার স্বপ্ন সোনার রূপগঞ্জ গড়ব। বিগত সময়ের যতো ঝঞ্জাট, সমস্যা সমাধান করব। আমার কোন চাহিদা নেই। আমি রূপগঞ্জবাসীর সেবা করতে সদা প্রস্তুত। আমি রূপগঞ্জের মানুষের পাশে থাকতে চাই আমৃত্যু পর্যন্ত।
বাংলাদেশ সময়: ১২:০৩:১৩ ৬৬ বার পঠিত