
ফরিদপুর প্রতিনিধি : ফরিদপুর সদর মুন্সীবাজার খেয়াঘাট কুমার নদের উপর ছোট ব্রীজটি মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। নেই কোন কর্তৃপক্ষের নজরধারী। আর কত দুর্ঘটনায় মানুষ নিহত, আহত হলে কর্তৃপক্ষের নজরদারীতে আসবে প্রশ্ন এলাকাবাসীর।
দেখা যায়, ফরিদপুর জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পণ্য বহনকারী ভারী যানবাহনসহ এই ছোট ব্রীজটি দিয়ে প্রধান সড়ক হিসাবে চলাচল করে থাকে।
স্থানীয় ভাবে ১০ থেকে ১১ টি গ্রাম সহ উপজেলার মানুষ এই রাস্তা ব্যবহার করে ব্রীজটি দিয়ে যাতায়াত করে থাকে। তার মধ্যে মুন্সীবাজার,গেরদা,বিলমামুদপুর,কাফুরা,বাখুন্ডা,বোকাইল ও ইকরি গ্রামের মানুষগুলোর প্রধান সড়ক।
জানাযায়, ব্রীজটি তৈরী করা হয়েছিল সাধারণ মানুষ সহ ছোট ছোট যানবাহন চলাচল করার জন্য। কারণ ওই সময় স্থানীয় বাসিন্দারা মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে বাঁশ সংগ্রহ করে সাকো তৈরী করে পারাপার হোত। এরপরে চাউল,ধান,পয়সা,টাকা দিয়ে নৌকা দিয়ে পারাপার হোত। বর্তমানে সেই ব্রীজ হয়েছে হাইওয়ে রাস্তার প্রধান সড়ক। যেখান দিয়ে বড় বড় যানবাহন চলাচল করে থাকে।
জানাযায়, বিগত দিন ধরে ব্রীজটির উপর একাধিক দুর্ঘটনায় কবলে পড়ে মানুষ নিতহ, আহত হয়েছে। আর অতিরিক্ত যানবাহনের চাপে ব্রিজটি প্রতিনিয়ত যানজট নিত্য দিনের সঙ্গীতে পরিণত হয়েছে।
দেখা যায় প্রতিদিন কোন না কোন দুর্ঘটনায় পড়তে হয় পথচারী থেকে শুরু করে যানবাহন চালকদের। এই থেকে মুক্তির উপায় কি জানা নেই এলাকাবাসীর। মাঝে মাঝে সরকারী বিভিন্ন দপ্তর থেকে কর্মকর্তা, কর্মচারীরা এসে লোক দেখানো মাপজোপ করে চলে যাওয়ার পরে আর কোন খবর থাকেনা।
এলাকাবাসী জানায় ফরিদপুর শহর থেকে শুরু করে শহরের বাইরে কোথাও কোন ব্রীজ, ক্যালভাট তৈরী করার বাকি নেই। শুধু অবহেলায় পরে রয়েছে এই ব্রীজটি। বর্তমান ব্রীজের যে অবস্থা যেকোন সময় বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই এলাকাবাসীর আবেদন ব্রীজটি পুনর্নির্মাণ করে প্রসারিত করা হোক।
বাংলাদেশ সময়: ১৭:০০:৪৮ ৩৪ বার পঠিত