![]()
বিদ্যুৎ জ্বালানী ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার কৃষকবান্ধব সরকার। এ কারণেই কৃষকদের জন্য শস্য বীমা চালু করতে যাচ্ছে। যাতে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ফসলের ক্ষতি হলে কৃষক তা পুষিয়ে নিতে পারেন।
আজ (শুক্রবার) সকালে যশোর শহরের সরকারি খাদ্য গুদামে জেলা প্রশাসন ও খাদ্য বিভাগের যৌথ আয়োজনে বোরো মৌসুমের ধান সংগ্রহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, জাতীয় নির্বাচনের পর ভোটারদের হাতের কালি মুছে যাওয়ার আগেই সরকার কৃষক কার্ড প্রদানের মাধ্যমে নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়ন শুরু করেছে। এর মাধ্যমে কৃষকরা সরকারি ভর্তুকি মূল্যে সকল প্রকার কৃষি উপকরণ কিনতে পারবেন, প্রয়োজনে স্বল্প সুদে ঋণও নিতে পারবেন।
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সরকার ইতোমধ্যেই ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করেছে বলেও উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, দেশে কৃষিক্ষেত্রে অগ্রযাত্রার সূচনা হয়েছিল শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাত ধরে। তিনি খাল খনন কর্মসূচি থেকে শুরু করে বিদেশ থেকে উন্নতমানের সার, বীজসহ নানা ধরনের কৃষি উপকরণ এনে দেশের কৃষিতে সবুজ বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন। দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছিলেন। সেই অগ্রযাত্রা ধরে রাখতে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার বাবার সকল কর্মসূচি নতুনভাবে শুরু করেছেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, বৈশ্বিক সংকটের মধ্যেও সরকারের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় কৃষকের চাহিদা মতো বিদ্যুৎ, ডিজেল এবং সার সরবরাহ নিশ্চিত হওয়ায় এবার বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। ধান ক্রয়ে কোন প্রকার অনিয়ম না করতে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করে দেন তিনি।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি প্রান্তিক কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয়ের মাধ্যমে বোরো সংগ্রহের উদ্বোধন করেন। পরে তিনি সেখানে একটি বৃক্ষরোপণ করেন।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সেফাউর রহমান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহরিয়ার হক এবং জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু।
সরকারিভাবে ধান ক্রয়ের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে কৃষকরা বলেন, এর মাধ্যমে তারা ধানের ন্যায্যমূল্য পাবেন।
জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সেফাউর রহমান জানান, চলতি বোরো মৌসুমে যশোর জেলায় ধান সংগ্রহের লক্ষ্য মাত্রা ১৫ হাজার ১৬৬ মেট্রিক টন নির্ধারণ করা হয়েছে। সরকারিভাবে প্রতি কেজি ধানের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৬ টাকা।
বাংলাদেশ সময়: ১৬:৪৭:১৫ ৮ বার পঠিত