![]()
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বলেছেন, উচ্চশিক্ষার জন্য কেবল শিক্ষার্থী প্রেরণকারী দেশ হিসেবে নয়, বরং বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য আকর্ষণীয় ও আন্তর্জাতিক মানের উচ্চশিক্ষা গন্তব্য হিসেবে বাংলাদেশকে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করছে।
আজ (বুধবার) দুপুরে ঢাকাস্থ অস্ট্রেলিয়ান হাই কমিশন এবং ভারতে অস্ট্রেলিয়ান কনস্যুলেট জেনারেলের তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল ইউজিসি চেয়ারম্যানের সঙ্গে তার দপ্তরে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিনিধি দলে ছিলেন ভারতের অস্ট্রেলিয়ান কনস্যুলেট জেনারেলের ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কমিশনার ভিক সিং, ঢাকাস্থ অস্ট্রেলিয়ান হাই কমিশনের ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কমিশনার মেঘা গুপ্ত এবং ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টের সিনিয়র ডিরেক্টর মোস্তাফিজুর রহমান।
সভায় ইউজিসির আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিভাগের পরিচালক জেসমিন পারভিনও উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎকালে ড. মামুন আহমেদ বলেন, দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে ইউজিসি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। এর অংশ হিসেবে বিদ্যমান প্রথম সারির কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বমানে উন্নীতকরণ অথবা নতুনভাবে আন্তর্জাতিক মানের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনের বিষয়ে কমিশন সক্রিয় রয়েছে।
তিনি দুই দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে অংশীদারত্ব ও সম্পর্ক জোরদারে ইউজিসির পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
প্রতিনিধি দলের সদস্যরা জানান, উচ্চশিক্ষা খাতে অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের মধ্যে কৌশলগত সম্পৃক্ততা আরও জোরদার করতে আগামী জুন মাসে ঢাকায় একটি উচ্চপর্যায়ের গোলটেবিল বৈঠক আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। ওই বৈঠকে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম সারির ৭ থেকে ৮টি বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ নেতারা অংশ নেন।
বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষ থেকে উপযুক্ত প্রতিনিধি নির্বাচনে তারা ইউজিসির সহযোগিতা কামনা করেন।
প্রতিনিধি দলের সদস্যরা চলতি বছরের অক্টোবরে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠেয় ‘অস্ট্রেলিয়ান ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন কনফারেন্স (এআইইসি)’-এ বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা খাতের প্রতিনিধিদের নিয়ে অংশগ্রহণের জন্য ইউজিসি চেয়ারম্যানকে আমন্ত্রণ জানান।
তারা ইতিপূর্বে ইউজিসি এবং অস্ট্রেলিয়া সরকারের গৃহীত বিভিন্ন সহযোগিতামূলক কার্যক্রম সম্পর্কে চেয়ারম্যানকে অবহিত করেন।
বৈঠকে দক্ষতা উন্নয়ন, কৌশলগত অংশীদারত্ব এবং উচ্চশিক্ষায় নতুন সম্ভাবনার ক্ষেত্রগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। উভয় পক্ষ বিদ্যমান শিক্ষা ও গবেষণা সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণ ও জোরদারের বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করেন।
বাংলাদেশ সময়: ১৫:৫৪:৫৬ ৭ বার পঠিত