শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার পাশাপাশি সৃজনশীল কার্যক্রমে যুক্ত হওয়ার আহ্বান এলজিআরডি মন্ত্রীর

প্রথম পাতা » ছবি গ্যালারী » শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার পাশাপাশি সৃজনশীল কার্যক্রমে যুক্ত হওয়ার আহ্বান এলজিআরডি মন্ত্রীর
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬



শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার পাশাপাশি সৃজনশীল কার্যক্রমে যুক্ত হওয়ার আহ্বান এলজিআরডি মন্ত্রীর

শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার পাশাপাশি বিতর্ক, সাংস্কৃতিক ও অন্যান্য সৃজনশীল কার্যক্রমে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।

তিনি শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি অডিটোরিয়ামে ‘DUDS-ActionAid National Debate Festival 2026’-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ আহ্বান জানান।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীরা দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব। আগামী ১০, ১৫ বা ২০ বছর পর তারাই দেশের বিভিন্নক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন করবে। তাই এখন থেকেই ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত হতে হবে। রাজনীতি, সমাজনীতি বা অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখলেও লেখাপড়াকে কোনোভাবেই অবহেলা করা যাবে না। শিক্ষা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমের সমন্বিত বিকাশের মাধ্যমেই ভবিষ্যতের যোগ্য নাগরিক ও নেতৃত্ব তৈরি করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, বিতর্ক শিক্ষার্থীদের যুক্তিনির্ভর চিন্তা, মত প্রকাশ ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে শুধু বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করাই যথেষ্ট নয়; শিক্ষার্থীদের সামগ্রিক জ্ঞান ও দক্ষতা বিকাশে বিভিন্ন সৃজনশীল ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হতে হবে।

ছাত্রজীবনের স্মৃতিচারণ করে মন্ত্রী বলেন, প্রায় ৬০ বছর আগে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হলের শিক্ষার্থী হিসেবে বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশ নিতেন। হলের প্রতিনিধিত্ব করে টানা তিন বছর চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ছাত্রসমাজের একটি বিশেষ শক্তি হলো তারা অন্যায় ও অসঙ্গতির বিরুদ্ধে কথা বলার সক্ষমতা রাখে। বাংলাদেশের ইতিহাসেও বিভিন্ন সময়ে ছাত্রসমাজ গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনে ভূমিকা রেখেছে। এ শক্তি ও দায়িত্ববোধকে ইতিবাচকভাবে কাজে লাগাতে নতুন প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

ড. আবদুল মঈন খান বলেন, একটি দেশের অগ্রগতির অন্যতম ভিত্তি হলো মানসম্মত শিক্ষা ও বিশ্ববিদ্যালয়। জ্ঞান, গবেষণা ও শিক্ষার শক্তির ওপর ভিত্তি করেই একটি দেশ দীর্ঘমেয়াদে এগিয়ে যেতে পারে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরবময় ঐতিহ্য ধরে রাখতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে।

ডিবেট ফেস্টিভ্যালের আয়োজকদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ডিবেটিং সোসাইটিকে শুধু বিতর্ক আয়োজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমকে এগিয়ে নেওয়ার একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এর মাধ্যমে জ্ঞান, দক্ষতা, মূল্যবোধ ও নেতৃত্বে সমৃদ্ধ একটি নতুন প্রজন্ম গড়ে উঠবে, যারা ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে বিশ্বপরিসরে আরো মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে যেতে ভূমিকা রাখবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটি (ডিইউডিএস) ও অ্যাকশন-এইড এর উদ্যোগে আয়োজিত এ জাতীয় বির্তক ফেস্টিভ্যালে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৪টি দল অংশগ্রহণ করছে।

বাংলাদেশ সময়: ১৬:৩৮:৪১   ১৫ বার পঠিত