
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পীকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম এমপি বলেছেন, মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব আমার কাছে নিখাঁদ আবেগ ও ভালোবাসার আরেক নাম। তিনি বলেন, সময়ের পরিক্রমায় খেলাধূলার প্রতি মানুষের আগ্রহ অনেকাংশে কমে গেলেও ১৯৬৭ সালে মোহামেডান ক্লাবে যখন তিনি খেলতেন, তখন জনমানুষের ফুটবলের প্রতি আবেগ ছিল অন্যরকম।
আজ (রবিবার) রাজধানীস্থ ঢাকা ক্লাবে মোহামেডান সমর্থক দলের কেন্দ্রীয় কমিটি কর্তৃক আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের স্পীকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম, এমপি প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে মোহামেডান সমর্থক দলের সাধারণ সম্পাদক এফ. এম রফিক উদ্দিনের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন রেলপথ, সড়ক ও মহাসড়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব, এমপি; মোহামেডান সমর্থক দলের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ হাতেম, সংসদ-সদস্য ও মোহামেডান সমর্থক দলের উপদেষ্টা কমিটির সদস্য সচিব খাইরুল কবীর খোকন, এমপি; ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোঃ আব্দুস সালাম এবং মোহামেডান সমর্থক দলের সভাপতি এস এম আলমগীর আবুল।
স্পীকার বলেন, মোহামেডানে খেলা ছিল অনেক সম্মানের। স্বাধীনতার আগে ভিক্টোরিয়া স্পোর্টিং ক্লাব ও মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব খুবই জনপ্রিয় ছিল। তবে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবে বাঙ্গালি খেলোয়ার থাকায় মোহামেডানের সমর্থক বেশি ছিল। তিনি বলেন, ক্লাব ফুটবল থেকে শুরু করে জাতীয় দলে খেলার জন্য পাকিস্তানের খেলোয়াড়দের সাথে বাঙ্গালি খেলোয়াড়দের প্রতিযোগিতা করতে হত।
স্পীকার বলেন, ১৯৭১ পরবর্তী রাজনীতি ক্রীড়াঙ্গনে অনুপ্রবেশের ফলে খেলাধুলার মান কমে যেতে থাকে। ফলে ঢাকার খেলার মাঠে ক্লাব ফুটবলের অংশগ্রহণ কমে যেতে থাকে। তিনি বলেন, খেলাধুলার মাধ্যমে তরুণদের মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত করতে হবে।
এসময় স্পীকার ক্রীড়াঙ্গনকে রাজনীতিমুক্ত করতে আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের বিগত দিনের সাফল্য ও স্পীকারের খেলোয়াড়ি জীবনের তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
এসময় স্পীকারসহ অতিথিবৃন্দকে ক্রেস্ট প্রদান, উত্তরীয় পরিধান ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দ ক্রীড়াকে শুধু বিনোদন মাধ্যম হিসেবে না ভেবে, তরুণদের মাদক ও সন্ত্রাস থেকে দূরে রাখতে খেলাধূলাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত ক্লাবের সদস্যবৃন্দ, জাতীয় পর্যায়ের ক্রীড়াবিদ, সংসদ-সদস্যবৃন্দ ও গণমাধ্যম কর্মী অংশগ্রহণ করেন।
বাংলাদেশ সময়: ২২:৫৩:৪০ ২৩ বার পঠিত