
বাহির থেকে দেখলে মনে হবে সাধারণ ওয়েল্ডিং মেশিন। কিন্তু যন্ত্রের আড়ালে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল নানা প্রজাতির বিদেশি বন্যপ্রাণী।
সাপ, কচ্ছপসহ ১১৪টি প্রাণী এভাবে কার্টনে ভরে চীন থেকে বাংলাদেশে আনা হয়েছিল। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এসব প্রাণী জব্দ করেছে বন অধিদপ্তরের বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট (ডব্লিউসিসিইউ)। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে একজনকে আটক করা হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসব বন্যপ্রাণী উদ্ধার করা হয়। জব্দ করা প্রাণীর মধ্যে রয়েছে পাঁচটি অ্যালবিনো টেক্সাস র্যাট স্নেক, কিং স্নেক, চাইনিজ ফায়ার-বেলিড নিউট, রেড-ইয়ারড স্লাইডার কচ্ছপসহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণী। উদ্ধার করা প্রাণীগুলো বর্তমানে ঢাকার আগারগাঁওয়ে বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের কার্যালয়ে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
অভিযানে কাস্টমস, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) এবং এভিসেকের প্রতিনিধিরা সহযোগিতা করেন।
বন অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, আন্তর্জাতিক বন্যপ্রাণী পাচার চক্র দেশের বিভিন্ন স্থলবন্দর ও বিমানবন্দর ব্যবহার করে অবৈধভাবে বন্যপ্রাণী আনার চেষ্টা করছে। এসব পথে নজরদারি ও অভিযান জোরদার করা গেলে বন্যপ্রাণী পাচার এবং অবৈধ বাণিজ্য বন্ধে কার্যকর অগ্রগতি সম্ভব হবে।
বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের পরিদর্শক আব্দুল্লাহ আস সাদিক কালের কণ্ঠকে বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিমানবন্দরে অভিযান চালিয়ে বিদেশি বন্যপ্রাণীর অবৈধ চালানটি জব্দ করা হয়েছে। এ কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে একজনকে আটক করে বিমানবন্দর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে মামলা করা হয়েছে।
বাংলাদেশ সময়: ১৬:২৭:৩২ ১ বার পঠিত #চীন থেকে বন্যপ্রাণী #বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট #বিদেশি বন্যপ্রাণী পাচার #হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর