আজানের পর দোয়া পড়ার অনন্য ফজিলত

প্রথম পাতা » ছবি গ্যালারী » আজানের পর দোয়া পড়ার অনন্য ফজিলত
শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪



আজানের পর দোয়া পড়ার অনন্য ফজিলত

ইসলামি নিদর্শনের অন্যতম হচ্ছে আজান। এটি আরবি শব্দ। ইসলামের ফরজ বিধান নামাজ আদায়ের জন্য বিশেষ আহ্ববানকে বলা হয় আজান। দিনে পাঁচবার পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের জন্য মুয়াজ্জিন এ আহবান করে থাকেন।

আজান মুসলিমদের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন ফরজ বিধান নামাজ আদায়ের জন্য এটি দেয়া হয়। যিনি আজান দেন তাকেই মুয়াজ্জিন বলা হয়। নামাজের যেমন গুরুত্ব রয়েছে, ঠিক তেমনি আজানেরও গুরুত্ব ও ফজিলত রয়েছে।

আজানের দোয়া

আজানের পর রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি দোয়া পড়তে বলেছেন। দোয়া পাঠের অনেক ফজিলতও তিনি বর্ণনা করেছেন। দোয়াটি হচ্ছে-

اللَّهُمَّ رَبَّ هَذِهِ الدَّعْوَةِ التَّامَّةِ، وَالصَّلاَةِ الْقَائِمَةِ، آتِ مُحَمَّداً الْوَسِيلَةَ وَالْفَضِيلَةَ، وَابْعَثْهُ مَقَامَاً مَحمُوداً الَّذِي وَعَدْتَهُ (উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা রব্বা হাজিহিদ দাওয়াতিত তাম্মাহ, ওয়াস সালাতিল কইমাহ, আতি মুহাম্মাদানিল ওয়াসিলাতা ওয়াল ফাদিলাহ, ওয়াবআছহু মাকামাম মাহমুদানিল্লাজি ওয়াআদতাহ।)

অর্থ: হে আল্লাহ, আপনি এই পরিপূর্ণ আহ্বান এবং প্রতিষ্ঠিত সালাতের রব। মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে (জান্নাতে প্রবেশের) এর মাধ্যমে (সবার মধ্যে বিশেষ) সম্মান দান করুন। তাকে প্রশংসিত স্থানে পৌঁছে দিন, যার প্রতিশ্রুতি আপনি তাকে দিয়েছেন।

আজানের দোয়া পাঠের ফজিলত

আজানের দোয়া পাঠের অনেক ফজিলত রসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বর্ণনা করেছেন। হযরত জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, রসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘যে ব্যক্তি আজান শুনে উল্লিখিত দোয়া পড়বে কিয়ামতের দিন তার জন্য আমার সুপারিশ থাকবে।’ (বুখারি: ৬১৪)
অপর হাদিসে রসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে আজানের দোয়ার জবাব দেবে কেয়ামতের দিন সে আমার সুপারিশ পাওয়ার অধিকারী হবে।’ (মিশকাত)
হযরত সাদ ইবনু আবি ওয়াক্কাছ (রা.) বলেন, রসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি মুয়াজ্জিনের আজান শুনে এ দোয়া পড়বে -

أَشْهَدُ أَنَّ لاَ إِلٰهَ إِلاَّ الله وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ، وَأَنَّ مُحَمَّدا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ رضيت بالله ربًا وبمحمد ﷺ رسولًا وبالإسلام دينًا (উচ্চারণ : ‘আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকালাহ, ওয়া আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসুলুহু। রাদিতু বিল্লাহি রাব্বাও ওয়া বিমুহাম্মাদির রাসুলাও ওয়া বিল ইসলামি দ্বীনা।’)

অর্থ : আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো মাবুদ নেই। তিনি একক, তাঁর কোন শরিক নেই। আর মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর বান্দা ও রাসুল। আমি আল্লাহকে প্রভু হিসাবে, মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে রাসুল হিসেবে এবং ইসলামকে দ্বীন হিসেবে পেয়ে খুশি হয়েছি।
যে এ দোয়া পড়বে, তার গুনাহসমূহ মাফ করা হবে। (মুসলিম ও মিশকাত)

আজান ও ইকামত

প্রথমে আল্লাহু আকবার, ‘আল্লাহ মহান’ (চারবার), অতঃপর আশহাদু আল লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, ‘আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আল্লাহ ছাড়া কোনো মাবুদ নাই’ (দুবার), তারপর আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রসুলুল্লাহ, ‘আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, মুহাম্মদ সা. আল্লাহর রসুল’ (দুবার), তারপর হাইয়া আলাস সালাহ, ‘নামাজের জন্য আসো’ (দুবার) ও হাইয়া আলাল ফালাহ, ‘কল্যাণের জন্য আসো’ (দুবার); পরিশেষে আল্লাহু আকবার, ‘আল্লাহ মহান’ (দুবার) ও লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, ‘আল্লাহ ছাড়া কোনো মাবুদ নাই’ (একবার)।

ফজরের নামাজের আজানে পঞ্চম বাক্যের (হাইয়া আলাল ফালাহ) পর বলতে হয়, আস সালাতু খায়রুম মিনান নাওম, ‘ঘুম অপেক্ষা নামাজ উত্তম’ (দুবার) আর ইকামতে এই স্থানে বলতে হয় ‘কদ কমাতিস সালাহ’, ‘জামাত প্রস্তুত’ (দুবার)।

বাংলাদেশ সময়: ১২:৫৯:৪৪   ৩৮০ বার পঠিত  




পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)

ছবি গ্যালারী’র আরও খবর


আল কোরআন ও আল হাদিস
খেলাধুলাকে স্কুল সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত করা হবে: মামুন মাহমুদ
রূপগঞ্জে ট্রাক ও সিএনজিসহ ১,১০৭ বোতল এসকাফ জব্দ, গ্রেফতার ১
নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে প্রয়োজন দৃঢ় রাজনৈতিক অঙ্গীকার : তথ্যমন্ত্রী
নেত্রকোণায় ৯ লাখ টাকার চায়না দুয়ারী ও কারেন্ট জাল জব্দ
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ জব্দ
সমাজকল্যাণমন্ত্রীর সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ
বোয়ালমারীতে ইউনিয়ন বিএনপির সম্মেলনে মারামারী
বাংলাদেশ-তাজিকিস্তানের মধ্যে এফওসি সমঝোতা স্মারক সই
এসডিজি অর্জনে নারী নেতৃত্ব অপরিহার্য : শামা ওবায়েদ

News 2 Narayanganj News Archive

আর্কাইভ