![]()
কক্সবাজারে ‘সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার’ হয়ে ১৩ বছর বয়সী এক মাদরাসাপড়ুয়া কিশোরীর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ৫ দিন আইসিইউতে চিকিৎসাধীন থাকার পর বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে তার মৃত্যু হয়।
তবে পুলিশ জানিয়েছে ভিন্ন কথা। তাদের দাবি, ১৩ বছরের কিশোরীটি প্রেমের টানে পালিয়েছিল প্রেমিকের সঙ্গে।
সেখান থেকে তাকে ঘরে ফিরিয়ে আনার পর একপর্যায়ে সে আত্মহননের পথ বেছে নেওয়ার চেষ্টা করে। হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি পর তার মৃত্যু হয়।
নিহত কিশোরীর পরিবার জানায়, তারা যে ভাড়া বাসায় থাকতেন, সেই বাড়ির মালিকের সঙ্গে কথাকাটাকাটি ঘটনা ঘটে স্থানীয় একদল সন্ত্রাসীর সঙ্গে।
এ ঘটনার জেরে গত ২২ ডিসেম্বর সাহিত্যকাপল্লীর বাসিন্দা রিদুয়ান হাসান বাবু, হৃদয় ও নায়েম কিশোরীকে অপহরণ করে নিয়ে যায়।
পরে পুলিশের সহযোগিতায় রামু উপজেলার নায়েমের বাড়ি থেকে কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়।
পরিবারের অভিযোগ, উদ্ধারের পর শহর পুলিশ ফাঁড়ির এক কর্মকর্তা উভয় পক্ষকে ডেকে ঘটনাটি মীমাংসার চেষ্টা করেন এবং বিষয়টি স্পর্শকাতর হওয়া সত্ত্বেও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।
তবে পুলিশ বলছে, নিহত কিশোরীর বয়স ১৩ বছর এবং প্রেমের সম্পর্কের কারণে সে বাড়ি ছেড়ে চলে যায়। পরিবার বিষয়টি মেনে না নেওয়ায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে কিশোরী আত্মহননের চেষ্টা করে।
এ অবস্থায় তাকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে এবং রোকেয়া নামের এক নারীকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
কিশোরীর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে এবং পুলিশের ভূমিকা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে।
বাংলাদেশ সময়: ২৩:৫১:৩২ ১০১ বার পঠিত