
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জ-১ আসন (রূপগঞ্জ) এলাকার সকল এমপিপ্রার্থীদের নিয়ে প্রশাসনের উদ্যোগে একটি বিশেষ আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে রূপগঞ্জ উপজেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে আয়োজিত এই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. রায়হান কবির। সভাপতিত্ব করেন রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মো. সাইফুল ইসলাম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সি, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন, রূপগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সবজেল হোসেন, রূপগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার ও পূর্বাচল রাজস্ব সার্কেল (ভূমি) ফরিদ আল সোহান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মারজানুর রহমান, রূপগঞ্জ আর্মি ক্যাম্পের ইনচার্জ, র্যাব-১১ ও র্যাব-১-এর সিপিসি-৩-এর দায়িত্বরত কর্মকর্তারা, জেলা আনসার কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী আনোয়ার হোসেন মোল্লা, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী ইমদাদুল হাশেমী, গণঅধিকার পরিষদ মনোনীত প্রার্থী ওয়াসিম উদ্দীন, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি মনোনীত প্রার্থী মনিরুজ্জামান চন্দন, বাংলাদেশ ইনসানিয়াত বিপ্লব মনোনীত প্রার্থী রেহান আফজালসহ অন্যান্য অংশগ্রহণকারী প্রার্থীরা। তবে অজ্ঞাত কারণে স্বতন্ত্র প্রার্থী দুলাল হোসেন সভায় অনুপস্থিত ছিলেন।
সভাস্থলে প্রার্থীরা তাদের নিজ নিজ নির্বাচনী ইশতেহার তুলে ধরেন। পাশাপাশি নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে সম্ভাব্য সংকট মোকাবেলা ও সমস্যা সমাধানে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়। এ সময় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী আনোয়ার হোসেন মোল্লা রূপগঞ্জের কায়েতপাড়া, গোলাকান্দাইল ও ভুলতা এলাকায় পৃথক পৃথক স্থানে ভোটের প্রচারে বাধা দেওয়ার অভিযোগ করেন।
জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির তার বক্তব্যে বলেন, দেশের জনগণের প্রত্যাশা একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন। অতীতে ভোট দিতে না পারার যে অভিযোগ ছিল, এবারের নির্বাচনে সে অভিযোগ করার সুযোগ থাকবে না। বরং, জনগণের ভোট জনগণের দ্বারাই প্রয়োগের পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে। সকল প্রার্থীর সমান অধিকার নিশ্চিত করা হচ্ছে এবং কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করে দায়িত্ব হস্তান্তর করতে পারাই আমাদের সাফল্য। সচেতন জনগণকে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তা করতে হবে। আগামী ১০০ বছরেও যাতে এমন একটি নিরপেক্ষ নির্বাচনের দৃষ্টান্ত স্থাপন করা যায়, সে লক্ষ্যেই আমরা কাজ করছি।
বাংলাদেশ সময়: ১৮:০৮:৫৪ ১০ বার পঠিত