আদিবাসী সংক্রান্ত জাতিসংঘের স্থায়ী ফোরামের অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ

প্রথম পাতা » ছবি গ্যালারী » আদিবাসী সংক্রান্ত জাতিসংঘের স্থায়ী ফোরামের অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ
বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬



আদিবাসী সংক্রান্ত জাতিসংঘের স্থায়ী ফোরামের অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ

নিউইয়র্কস্থ জাতিসংঘ সদরদপ্তরে চলমান আদিবাসী সংক্রান্ত অধিবেশনে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান পার্বত্য শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন এবং ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের উন্নয়ন ও তাঁদের অনন্য বৈশিষ্ট্যপূর্ণ সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও বিকাশে সরকারের গৃহীত কার্যক্রম বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন।

২০ এপ্রিল হতে ১ মে পর্যন্ত দুই সপ্তাহব্যাপী আদিবাসী সংক্রান্ত জাতিসংঘের স্থায়ী ফোরামের ২৫তম অধিবেশনে পার্বত্য চট্রগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল অংশগ্রহণ করেছে।

অধিবেশনে সচিব বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানে ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, লিঙ্গ বা জন্মস্থান নির্বিশেষে সমঅধিকার প্রদান করা হয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তির বাস্তবায়ন সম্পর্কে তিনি যোগ করেন যে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং অংশগ্রহণমূলক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এর ধারাগুলি বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। মোট ৭২টি ধারার মধ্যে ৬৫টি ধারা ইতোমধ্যে সম্পূর্ণরূপে বাস্তবায়িত হয়েছে, তিনটি আংশিকভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে এবং চারটি ধারা বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।

এছাড়াও তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা, ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য ভূমি জরিপ ও ব্যবস্থাপনা উদ্যোগসহ অত্র অঞ্চলের সামগ্রিক উন্নয়ন সাধনে সরকারের গৃহীত নানা পদক্ষেপ সম্পর্কে ফোরামকে অবহিত করেন।

বর্তমান সরকার সম্প্রতি প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক একজন বিশেষ সহকারী নিয়োগ করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে নৃতাত্ত্বিক সম্প্রদায়সমূহের অংশগ্রহণকে নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে। এর পাশাপাশি তিনি বর্ধিত সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী, গ্রামীণ অবকাঠামো, ডিজিটাল সংযোগ ও জীবিকার বৈচিত্র্যায়নের মাধ্যমে দারিদ্র্য ও বৈষম্য হ্রাসের বিষয়ে বর্তমান সরকারের কার্যক্রম তুলে ধরেন।

বাংলাদেশের নৃতাত্ত্বিক সংস্কৃতি ও ভাষার বৈচিত্র্য সংরক্ষণের বিষয়ে তিনি বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। নৃতাত্ত্বিক সম্প্রদায়ভুক্ত জনগোষ্ঠীর শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার সম্প্রসারণে সরকার বৃত্তি, বহুভাষিক ও ই-লার্নিং ব্যবস্থা, জেলা হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, কমিউনিটি ক্লিনিক এবং মোবাইল মেডিক্যাল টিম ইত্যাদি উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে তিনি তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন। এছাড়াও তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলা সংক্রান্ত অন্যান্য কার্যক্রমের সঙ্গে বর্তমান সরকার ইতোমধ্যেই পার্বত্য জেলাগুলোতে ২০ লাখ বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে আরো রয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) অনুপ কুমার চাকমাসহ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং পার্বত্য ও সমতল অঞ্চলের উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা ও নৃ-গোষ্ঠীর প্রতিনিধিবৃন্দ।

বাংলাদেশ সময়: ১৫:৫৭:৩৩   ৬৮ বার পঠিত  




পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)

ছবি গ্যালারী’র আরও খবর


আল কোরআন ও আল হাদিস
মানবতার সেবায় আত্মনিয়োগে প্রয়োজন ত্যাগের মানসিকতা : পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী
‘ফ্যামিলি কার্ড আপনাকে খুঁজতে হবে না, পৌঁছে যাবে আপনার দোরগোড়ায়’
কেতন আগরওয়ালের হত্যাকারীদের কঠোরতম শাস্তির আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর
অবশেষে ফিরল সেই ‘সুপারগার্ল’
উন্মুক্ত ‘হেডলাইন’, এক পর্দায় অপূর্ব-চঞ্চল-ইয়াশ
এইচএসসিতে প্রশ্ন ফাঁসের গুজব ছড়ালে কঠোর ব্যবস্থা : শিক্ষামন্ত্রী
ছয় দিনের প্রথম বিদেশ সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী
সাহিত্য-সংস্কৃতির চর্চা মানুষের চিন্তাকে প্রসারিত করে : বাণিজ্যমন্ত্রী
ফরিদপুরে পেঁয়াজ চাষীদের মাথায় হাত, বিক্রির টাকায় উঠছেনা খরচ

News 2 Narayanganj News Archive

আর্কাইভ