
ঐতিহাসিক জয়। তিনবার বিশ্বকাপে অংশ নিয়ে মিশর কোনো ম্যাচ জিততে পারেনি, জয় ছিল না দুই বিশ্বকাপে খেলা নিউজিল্যান্ডেরও। ইতিহাস গড়ার সুযোগটি লুফে নিলো মোহামেদ সালাহর দল। তার কাঁধে ভর করেই জিতেছে মিশর।
ভ্যাঙ্কুভারে নিউজিল্যান্ড এগিয়ে গিয়ে প্রথম জয়ের সুযোগ তৈরি করলেও ঘুরে দাঁড়ায় মিশর। প্রথমার্ধে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থাকা দলটি দ্বিতীয়ার্ধে করলো ৩ গোল। যার মধ্যে সালাহ এক গোল করার পাশাপাশি সতীর্থ ট্রেজেগুয়েটকে দিয়ে একটি গোল বানিয়েও দেন।
ম্যাচের ১৫ মিনিটের মাথায়ই এগিয়ে যায় নিউজিল্যান্ড। ফিন সারম্যান ছিলেন ফাঁকায়। কর্নার থেকে টিম পেইনের বাঁকানো শটে লাফিয়ে উঠে করা হেডে বল জালে পাঠান মেজর সকার লিগে খেলা এই ডিফেন্ডার। তবে দিনটা তাদের ছিল না। দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে ফিরে মিশর।
ম্যাচের ৫৮ মিনিটে মোহামেদ হানি বল পেয়ে ডি বক্সের মাঝখানে পাঠিয়ে দেন। একা থাকা জিকো কোনো ভুল না করে হেডের মাধ্যমে ব্যবধান ১-১ করেন। পরের গোলের জন্য মিশরের ১০ মিনিটও লাগেনি। দ্বিতীয়ার্ধের পানীয় বিরতির ঠিক আগে সালাহ ও জিকোর ওয়ান-টু-ওয়ান পাসে মিশর আক্রমণে উঠে। শেষে সালাহ আড়াআড়ি শটে নিউজিল্যান্ড গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন।
পরের গোলে সালাহ অ্যাসিস্ট করেন। তার নিখুঁত পাসে বদলি খেলোয়াড় ট্রেজেগুয়েট হেডে গোল করেন। মিশর এরপর আরও সুযোগ তৈরি করেছিল, কিন্তু গোল করা হয়নি।
বাংলাদেশ সময়: ১১:৩২:০৪ ৭ বার পঠিত