
যশোরে বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেন হত্যার ‘মূল শ্যুটার’ ত্রিদিব চক্রবর্তী মিশুককে (৩০) আটক করেছে জেলা ডিবি পুলিশ।
আটক ত্রিদিব চক্রবর্তী মিশুক যশোর শহরের বেজপাড়া মেইন রোড এলাকার মিহির চক্রবর্তী ত্রিনাথের ছেলে।
বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে শহরের বেজপাড়া মন্দির এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। যশোর পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল বাশার আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ জানায়, আটক ত্রিদিব চক্রবর্তী মিশুককে আজ বৃহস্পতিবার আদালতে সোপর্দ করা হলে বিএনপি নেতা আলমগীর হত্যার দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন তিনি। বিচারক তার জবানবন্দি গ্রহণ করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
গত ৩ জানুয়ারি সন্ধ্যায় যশোর শহরের শংকরপুর এলাকায় বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেনকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। তিনি যশোর পৌর বিএনপির ৭ নং ওয়ার্ড শাখার যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন।
হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের স্ত্রী শামীমা খাতুন বাদী হয়ে নিজের জামাই পরশ ও একই এলাকার সাগর নামে দুইজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়।
যশোর ডিবি পুলিশের এসআই অলক কুমার দে জানান, বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেন হত্যাকাণ্ডের পর ঘটনাস্থলসহ আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ ও তা বিশ্লেষণ করে ত্রিদিব চক্রবর্তী মিশুককে শ্যুটার হিসেবে শনাক্ত করা হয়। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মোবাইল ফোন ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে মিশুকের অবস্থান শনাক্ত করে তাকে আটক করা হয়।
পুলিশ ও আদালত সূত্র জানায়, আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে মিশুককে অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আছাদুল ইসলামের আদালতে ওঠানো হয়। মিশুক স্বেচ্ছায় এ হত্যাকান্ডে নিজের দায় স্বীকার করে এবং অপর জড়িতদের নাম উল্লেখ করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন।
জবানবন্দীতে মিশুক এই হত্যাকান্ডের মূল পরিকল্পনাকারী নিহত বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেনের জামাই পরশ ও পরশের সহযোগী সাগরের নাম উল্লেখ করেছেন।
জবানবন্দি গ্রহণশেষে বিচারক মিশুককে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন বলে জানান এসআই অলক কুমার দে।
বাংলাদেশ সময়: ২৩:৪৯:০৫ ১৪ বার পঠিত